অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করেছে ভাতুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী সমিরউদ্দিন
https://www.obolokon24.com/2016/11/thakurgaon_12.html
জসিমউদ্দিন (ইতি) হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁয়ের হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মরত উপসহকারী কর্মকর্তা সমিরউদ্দিন অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করেছে। টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না ভাতুরিয়া ভূমি অফিসে। গত বৃহস্পতিবার ভাতুরিয়া ইউনিয়নে ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা গেছে কর্মরত উপসহকারী সমিরউদ্দিনের অনৈতিক ও দুর্নিতির কর্মকান্ডের চিত্র। দেখার বা বলার কেউ নেয়। জমি সংক্রান্ত সকল কাজে টাকা নেওয়া ছাড়া কোন ফাইলে হাত দেয়না এই কর্মকর্তা। ভাতুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বৃদ্ধা জানান, আমি দীর্ঘ ৮ মাস ধরে ভূমি অফিসে ঘুরপাক খাচ্ছি এখন আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। আট মাস আগে আমি সমিরউদ্দিনকে আমার জমি খারিজ করার জন্য ৮ হাজার টাকা সহ আমার জমি সকল কাগজ পত্র প্রদান করি কিন্তু সে আমার প্রতিপক্ষের নিকট থেকে মোটা অংকে টাকা নিয়ে তার নামে খারিজ করে দিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে। আমি যখনই আসি ভূমি অফিসে আমাকে উপসহকারী সমিরউদ্দিন বলেন যে ভুলবসতো আপনার জমি আপনার প্রতিপক্ষের নামে হয়ে গেছে আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সব সংশোধন করে আপনার নামে খারিজ করে দিবো। অপরদিকে নাম প্রকাশের অনেচ্ছুক ভূমি অফিসের এক কর্মচারী বলেন, বর্তমান তসিলদার না থাকায় উপসহকারী সমিরউদ্দিন ভাতুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে দূর্নীতি ও দালালদের আখড়ায় পরিণত করেছে। গ্রামের হতদরিদ্র কৃষকদের জমি জমার খারিজের নামে করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। শুধু তাই নয় মাঝেমধ্যে ভূমি অফিসে সময় মতো থাকেন না সমিরউদ্দিন। এছাড়া উপসহকারী সমিরউদ্দিন সরকারী জমি কিছু প্রভাবশালী লোকদের নিকট লিজ দিয়ে বাণিজ্য করছেন। যদিও এই সব সম্পত্তি সরকার ভূমিহীনদের বসবাসের জন্য দেওয়ার কথা থাকলেও তা করছে না সমিরউদ্দিন। অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করছে ভাতুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মরত উপসহকারী কর্মকর্তা সমিরউদ্দিন। ভাতুরিয়া ইউনিয়নের দলিল লেখক (মহরী) জাহিরুল, তফাজুল, মানিক, আলী, মিরাজুল, মুসলিম, ইমরান, আলিমসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, হালনাগাত চেক তিন টাকার দিয়ে দুই হাজার টাকা নিয়েছে যার প্রমাণ আমাদের কাছে। এলাকার অনেক মানুষ জমি বিক্রি করলে তার চাহিদা মতো টাকা না দিলে ভেজাল লাগিয়ে দিয়ে হয়রানি করছে। এ বিষয়ে ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ভূমি অফিসের কর্মরত উপসহকারী সমিরউদ্দিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, বর্তমানে তসিলদার না থাকায় অফিসে অনেক খরচ তাই দুই এক টাকা মানুষের কাছে চেয়ে নিই। আপনি সময় মতো আসেন চা খাওয়ার জন্য দেওয়া যাবে।
ঠাকুরগাঁয়ের হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মরত উপসহকারী কর্মকর্তা সমিরউদ্দিন অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করেছে। টাকা ছাড়া কোন ফাইল নড়ে না ভাতুরিয়া ভূমি অফিসে। গত বৃহস্পতিবার ভাতুরিয়া ইউনিয়নে ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা গেছে কর্মরত উপসহকারী সমিরউদ্দিনের অনৈতিক ও দুর্নিতির কর্মকান্ডের চিত্র। দেখার বা বলার কেউ নেয়। জমি সংক্রান্ত সকল কাজে টাকা নেওয়া ছাড়া কোন ফাইলে হাত দেয়না এই কর্মকর্তা। ভাতুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বৃদ্ধা জানান, আমি দীর্ঘ ৮ মাস ধরে ভূমি অফিসে ঘুরপাক খাচ্ছি এখন আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। আট মাস আগে আমি সমিরউদ্দিনকে আমার জমি খারিজ করার জন্য ৮ হাজার টাকা সহ আমার জমি সকল কাগজ পত্র প্রদান করি কিন্তু সে আমার প্রতিপক্ষের নিকট থেকে মোটা অংকে টাকা নিয়ে তার নামে খারিজ করে দিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে। আমি যখনই আসি ভূমি অফিসে আমাকে উপসহকারী সমিরউদ্দিন বলেন যে ভুলবসতো আপনার জমি আপনার প্রতিপক্ষের নামে হয়ে গেছে আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সব সংশোধন করে আপনার নামে খারিজ করে দিবো। অপরদিকে নাম প্রকাশের অনেচ্ছুক ভূমি অফিসের এক কর্মচারী বলেন, বর্তমান তসিলদার না থাকায় উপসহকারী সমিরউদ্দিন ভাতুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে দূর্নীতি ও দালালদের আখড়ায় পরিণত করেছে। গ্রামের হতদরিদ্র কৃষকদের জমি জমার খারিজের নামে করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। শুধু তাই নয় মাঝেমধ্যে ভূমি অফিসে সময় মতো থাকেন না সমিরউদ্দিন। এছাড়া উপসহকারী সমিরউদ্দিন সরকারী জমি কিছু প্রভাবশালী লোকদের নিকট লিজ দিয়ে বাণিজ্য করছেন। যদিও এই সব সম্পত্তি সরকার ভূমিহীনদের বসবাসের জন্য দেওয়ার কথা থাকলেও তা করছে না সমিরউদ্দিন। অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করছে ভাতুরিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মরত উপসহকারী কর্মকর্তা সমিরউদ্দিন। ভাতুরিয়া ইউনিয়নের দলিল লেখক (মহরী) জাহিরুল, তফাজুল, মানিক, আলী, মিরাজুল, মুসলিম, ইমরান, আলিমসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, হালনাগাত চেক তিন টাকার দিয়ে দুই হাজার টাকা নিয়েছে যার প্রমাণ আমাদের কাছে। এলাকার অনেক মানুষ জমি বিক্রি করলে তার চাহিদা মতো টাকা না দিলে ভেজাল লাগিয়ে দিয়ে হয়রানি করছে। এ বিষয়ে ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ভূমি অফিসের কর্মরত উপসহকারী সমিরউদ্দিনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, বর্তমানে তসিলদার না থাকায় অফিসে অনেক খরচ তাই দুই এক টাকা মানুষের কাছে চেয়ে নিই। আপনি সময় মতো আসেন চা খাওয়ার জন্য দেওয়া যাবে।